
নিজস্ব প্রতিবেদক
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট আয়োজনের প্রস্তুতি সম্পর্কে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, ইসি এখন শতভাগ প্রস্তুত। শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (ইটিআই)-এ ইউএনডিপি ও রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (আরএফইডি)-এর সহযোগিতায় আয়োজিত এক সাংবাদিক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
এ সময় আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, তিনি আজ সকাল থেকে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে বিভিন্ন মিটিংয়ে ছিলেন। বৈঠকে নির্বাচন সম্পর্কিত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তার বক্তব্যের মধ্য দিয়ে তিনি নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হওয়ার কথা নিশ্চিত করেন। "এখন আমরা শতভাগ প্রস্তুত,"—বলেছিলেন তিনি, যা দেশব্যাপী নির্বাচনী প্রক্রিয়ার জন্য একটি ইতিবাচক বার্তা।
প্রশিক্ষণ কর্মশালায় "গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ (সর্বশেষ সংশোধনীসহ), নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা, ২০০৮ (সর্বশেষ সংশোধনীসহ) এবং নির্বাচন কর্মকর্তা (বিশেষ বিধান) আইন, ১৯৯১"-এর বিভিন্ন দিক তুলে ধরে সাংবাদিকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। বিশেষ করে, নির্বাচনের নীতিমালা এবং আইনগত কাঠামোর বিষয়গুলো বিস্তারিতভাবে আলোচিত হয়।
ইসি সচিব আরও জানান, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার বিষয়ে এখনও কোনো নির্দিষ্ট তারিখ নির্ধারণ হয়নি। তবে নির্বাচনের প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন, এবং তফসিলের ঘোষণা কবে হবে, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় আলোচনা চলছে। "এখনো পর্যন্ত তফসিল ঘোষণার দিন নির্ধারণ হয়নি,"—বলেছেন তিনি। তবে, ২৯ নভেম্বর শেরেবাংলা নগর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ইসি আয়োজিত মক ভোটিং পরিদর্শন শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, "আমরা আশা করছি ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল হবে। তখন আপনারা তারিখগুলো জানতে পারবেন।"
এছাড়া, প্রধান নির্বাচন কমিশনার আরও উল্লেখ করেন যে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ধীরে ধীরে উন্নতি লাভ করবে এবং পরিস্থিতি নির্বাচনের অনুকূল থাকবে। তিনি বলেছিলেন, ইসি সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করছে, এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও নির্বাচনী কার্যক্রমকে নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করার জন্য প্রস্তুত থাকবে।
তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচনী প্রক্রিয়া আরও গতিশীলভাবে পরিচালিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে, নির্বাচনের জন্য প্রার্থী তালিকা প্রস্তুত করা, ভোটকেন্দ্রগুলো চিহ্নিত করা এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ প্রদানসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি, ভোটারদের সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন প্রচার কার্যক্রমও চলমান। এমনকি নির্বাচনী প্রক্রিয়ার সুষ্ঠু ও স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য নির্বাচন কমিশন প্রযুক্তি ব্যবহারে গুরুত্ব দিয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তি যেমন ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহারের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে, যা নির্বাচনী ব্যবস্থার গতিশীলতা ও নির্ভুলতা নিশ্চিত করবে।
সবশেষে, নির্বাচন কমিশন এবং দেশের নির্বাচনী ব্যবস্থার জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়, যেখানে নির্বাচন ও গণভোটের স্বচ্ছতা, সুরক্ষা এবং জনগণের মতামতের গুরুত্ব অপরিসীম। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে এবং সকল সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতায় দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয়ে কাজ করছে।

m¤úv`K I cÖKvkK: G †K Gg gvndzRyi ingvb
cÖavb m¤úv`K: †gvt RvwKi
†nv‡mb
†hvMv‡hvM: 198 wm-eøK, iv‡qievM,
K`gZjx, XvKv- 1362|
†gvevBj: 01612346119,B‡gBj: dhaka24news.top@gmail.com
I‡qemvBU: dhaka24news.top, †dmeyK: https://www.facebook.com/DHAKA24NEWS.TOP/