
ঢাকা২৪ ডেস্ক
পবিত্র ঈদুল আজহার দীর্ঘ ছুটি শেষে রাজধানীমুখী মানুষের ঢল নেমেছে ট্রেনে। ঈদের পঞ্চম দিন সোমবার (১ জুন) সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে কর্মস্থলে ফিরতে থাকা যাত্রীদের ভিড়ে সরগরম হয়ে ওঠে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন। অতিরিক্ত যাত্রীচাপ, নির্ধারিত সময়ের তুলনায় ট্রেনের বিলম্ব এবং আসন সংকটে ভোগান্তির শিকার হয়েছেন হাজারো মানুষ।
সরেজমিনে দেখা যায়, সকাল ৬টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে অন্তত ১২টি ট্রেন ঢাকায় পৌঁছেছে। প্রায় প্রতিটি ট্রেনেই ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি যাত্রী বহন করতে দেখা গেছে। অনেক যাত্রীকে দাঁড়িয়ে কিংবা ট্রেনের গেটে ঝুলে ভ্রমণ করতে হয়েছে।
যাত্রীরা অভিযোগ করেন, আগেভাগে টিকিট কাটার পরও অনেকেই নিজেদের নির্ধারিত আসনে পৌঁছাতে পারেননি। অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে কেউ কেউ নিজ বগিতেও উঠতে পারেননি। একই সঙ্গে বেশিরভাগ ট্রেনই এক থেকে তিন ঘণ্টা পর্যন্ত বিলম্বে চলাচল করায় নির্ধারিত সময়ে কর্মস্থলে যোগ দেওয়া নিয়ে বিপাকে পড়েছেন তারা।
বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশনে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক যাত্রী নেমে যাওয়ার পরও কমলাপুরমুখী ট্রেনগুলোতে যাত্রীচাপ কমেনি। আসন পূর্ণ হওয়ার পরও দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রীদের নিয়ে ট্রেনগুলো ঢাকায় পৌঁছেছে।
সকাল ৯টার দিকে জামালপুর থেকে আসা ব্রাহ্মণবাড়িয়া এক্সপ্রেসে গেটে ঝুলে যাত্রীদের যাতায়াত করতে দেখা যায়। একই চিত্র দেখা গেছে কিশোরগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ, চট্টগ্রাম ও নোয়াখালী থেকে আসা বিভিন্ন ট্রেনেও।
পঞ্চগড় থেকে আসা একতা এক্সপ্রেসের যাত্রী মহিদুল ইসলাম বলেন, স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে অনলাইনে টিকিট কেটে ফিরেছি। কিন্তু অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে নির্ধারিত আসনে বসা তো দূরের কথা, নিজের বগিতেই উঠতে পারিনি।
অন্যদিকে, রংপুর এক্সপ্রেসের যাত্রী আব্দুল্লাহ আল মানুম অভিযোগ করেন, ট্রেনটি নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিন ঘণ্টা পরে রংপুর থেকে ছেড়ে আসে। ফলে ঢাকায় পৌঁছাতেও কয়েক ঘণ্টা দেরি হয়েছে। এতে নির্ধারিত সময়ে অফিসে যোগ দিতে না পেরে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
ঈদের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফেরা মানুষের চাপ সামাল দিতে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষকে আরও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন যাত্রীরা।
প্রধান সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
যোগাযোগ: ১৯৮ সি-ব্লক, রায়েরবাগ, কদমতলী, ঢাকা- ১৩৬২।
মোবাইল: ০১৬১২৩৪৬১১৯,ইমেইল: dhaka24news.top@gmail.com
ওয়েবসাইট: dhaka24news.top, ফেসবুক: https://www.facebook.com/DHAKA24NEWS.TOP/