
নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশ সরকার ভূমি প্রতিমন্ত্রী কাছে হাতেনাতে সিদ্ধিরগঞ্জ রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) দেবযানী, কানুনগো মো: ফারুক আলম, দুর্নীতিবাজ নাজির কাজী তানজিরুল হক সহ অনেকে অনিয়মের জালে আটকা পরেন এ বিষয়ে স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকা সহ ইলেকট্রনিক ও মিডিয়া নিউজ প্রকাশিত হয় , এরপর থেকে সিদ্ধিরগঞ্জের নাজির কাজী তানজিরুল হক, বিভিন্ন দপ্তরে দূর জব শুরু হয়, কয়েকদিন পর কমিটি গঠন করে দেবযানী কর, ফারুক আলম কে বদলি করা হয় কিনতু থলের বিড়াল নাজির কাজী তানজিরুল হক অর্থের বিনিময় তার চেয়ার বহাল রয়ে যান, সংবাদ মাধ্যমের কাছে ভুক্তভোগীব্যক্তিগণরা মত প্রকাশ করেন রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) যেন অনিয়ম আর দুর্নীতির এক চিরচেনা আবর্ত।
আর এই চক্রের অন্যতম প্রধান খলনায়ক হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন সংস্থাটির সহকারী পরিচালক (লাইসেন্স) জিয়াউর রহমান। সাধারণ মেকানিক থেকে শুরু করে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে আজ তিনি বিআরটিএর লাইসেন্স বাণিজ্যের অন্যতম ‘মাথা’ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন বলে ভুক্তভোগী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে অভিযোগ উঠেছে।মেকানিক থেকে যেভাবে ক্ষমতার শীর্ষেঅনুসন্ধানে জানা যায়, জিয়াউর রহমানের কর্মজীবন শুরু হয়েছিল মিরপুর বিআরটিএ-তে একজন সাধারণ মেকানিক হিসেবে। পরবর্তীতে চাতুর্য ও তদবিরের জোরে পদোন্নতি পেয়ে তিনি মোটরযান পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর) হন।
নরসিংদীতে পোস্টিং থাকাকালীন তৎকালীন প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলেন। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। প্রভাবশালী সাবেক শিল্প ও বাণিজ্য উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের সরাসরি সুপারিশে মিরপুর কার্যালয়ে সহকারী পরিচালক (এডি) হিসেবে জাঁকিয়ে বসেন তিনি। তৎকালীন সময়ে মিরপুরে একজন এডি কর্মরত থাকা সত্ত্বেও নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে জিয়াকে সেখানে পদায়ন করা হয়েছিল।বিপুল সম্পদ ও রাজকীয় জীবনযাপনএকজন সাধারণ সরকারি কর্মকর্তার বৈধ আয়ের সঙ্গে জিয়াউর রহমানের জীবনযাত্রার আকাশ-পাতাল তফাত।
রাজধানীর অভিজাত এলাকা বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার এফ ব্লকের ৯ নম্বর রোডের ১৩ নম্বর সড়কের ৪১৩ নম্বর বিলাসবহুল বাড়িতে তার রাজকীয় বসবাস। এছাড়া ঢাকা ও তার নিজ গ্রামে নামে-বেনামে অসংখ্য ফ্ল্যাট, প্লট ও জমির সন্ধান মিলেছে। সার্বক্ষণিকভাবে তিনি একটি ব্যক্তিগত বিলাসবহুল গাড়ি (ঢাকা মেট্রো গ ১৬-১৪১৭) ব্যবহার করেন, যার আয়ের উৎস নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে নানা প্রশ্ন রয়েছে।পটপরিবর্তনেও বহাল তবিয়তেসবচেয়ে আশ্চর্যজনক বিষয় হলো, দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পরও এই বিতর্কিত কর্মকর্তা বহাল তবিয়তে রয়েছেন।
যেখানে অন্যান্য দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তারা আত্মগোপনে গেছেন, সেখানে জিয়াউর রহমান বর্তমান প্রশাসনের কিছু উচ্চপদস্থ ব্যক্তিকে ম্যানেজ করে নিজের চেয়ার ধরে রেখেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। মিরপুর ও খিলক্ষেত এলাকায় লাইসেন্স বাণিজ্য, গাড়ি নিবন্ধন ও দালালি সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণ এখনো তার হাতেই রয়েছে। গ্রাহক হয়রানি ও জিম্মি দশা খিলক্ষেত এলাকার ভুক্তভোগী গ্রাহকদের অভিযোগ, বিআরটিএ-তে ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং গাড়ির রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত যেকোনো ফাইল জিয়াউর রহমানের নির্দিষ্ট সিন্ডিকেটের মাধ্যম ছাড়া অনুমোদন পায় না।
মোটা অঙ্কের অনৈতিক লেনদেন ছাড়া কোনো ফাইলই অগ্রসর হয় না বলে অভিযোগ করেছেন সেবাগ্রহীতারা। শিক্ষিত ও সচেতন নাগরিকরাও তার ক্ষমতার দাপটের কাছে অসহায়। দুদক ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি জিয়াউর রহমানের এই অস্বাভাবিক উত্থান ও অবৈধ সম্পদের উৎস খতিয়ে দেখতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন ভুক্তভোগী ও সচেতন নাগরিক সমাজ। তাদের দাবি, একজন সরকারি কর্মকর্তার সম্পদ যদি তার বৈধ আয়ের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, তবে তা রাষ্ট্রের খতিয়ে দেখা উচিত। এই নিউজের ও হেডলাইনের উপর একটা কার্টুন বানিয়ে দিতে হবে
প্রধান সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
যোগাযোগ: ১৯৮ সি-ব্লক, রায়েরবাগ, কদমতলী, ঢাকা- ১৩৬২।
মোবাইল: ০১৬১২৩৪৬১১৯,ইমেইল: dhaka24news.top@gmail.com
ওয়েবসাইট: dhaka24news.top, ফেসবুক: https://www.facebook.com/DHAKA24NEWS.TOP/