ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খোলামেলা কথা বললেন জেনিফার

বিনোদন ডেস্ক

ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই প্রশংসা ও সমালোচনার দুই মেরুর মাঝেই থাকতে হয়েছে হলিউড তারকা জেনিফার লোপেজকে। সম্প্রতি এক গোলটেবিল আলোচনায় নিজের দীর্ঘ অভিনয়জীবন, খ্যাতি এবং ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন এই গায়িকা ও অভিনেত্রী। লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস আয়োজিত অস্কার অভিনেত্রীদের বিশেষ আলোচনায় জেনিফার লোপেজ বলেন, ‘শুরু থেকেই, কেন জানি না আমি ভালো জিনিসের পাশাপাশি প্রচুর নেতিবাচকতার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছি। অনেক সময় মনে হয়েছে মানুষ আমাকে বোঝে না, আমাকে দেখে না, আমার কথা বুঝতে চায় না। আবার হঠাৎ করে তারা সব বুঝে ফেলে।

তারপর আবার ভুলেও যায়।’ এই আলোচনায় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন গুইনেথ প্যালট্রো, এমিলি ব্লান্ট, টেসা থম্পসন, এল ফ্যানিং ও সিডনি সুইনি। নেতিবাচক আলোচনা কীভাবে উপেক্ষা করেন – এমন প্রশ্নের উত্তরে জেনিফার জানান, নিজের আত্মপরিচয় ও আত্মবিশ্বাসই তাকে টিকিয়ে রেখেছে। তিনি বলেন, ‘খুব ছোটবেলা থেকেই আমি নিজেকে বলতাম, আমি জানি আমি কে। আমি একজন ভালো মানুষ, আমি আমার কাজ জানি। আমি ভালো না হলে কেউ আমাকে কাজ দিত না। এই আত্মবিশ্বাসই আমাকে মাটিতে পা রেখে চলতে শিখিয়েছে।’ এই শক্ত মানসিকতার পেছনে বাবা-মায়ের অবদানও স্মরণ করেন তিনি। জেনিফার বলেন, ‘আমার বাবা-মা আমাকে ছোটবেলা থেকেই নিজের প্রতি আস্থা রাখতে শিখিয়েছেন।

দিনের শেষে যখন ঘুমাতে যাই, তখন নিজেকে বলতে পারি যে আজ আমি ভালো মানুষ ছিলাম। পরিশ্রম করেছি। অন্যদের সঙ্গে সদয় ছিলাম। একজন ভালো মা হওয়ার চেষ্টা করেছি। এই ভাবনাগুলোই আমাকে শক্তি দেয়।’ খ্যাতির সঙ্গে ব্যক্তিগত জীবনের আপসের কথাও অকপটে স্বীকার করেন তিনি। জানান, অতিরিক্ত আলোচনার কারণে ব্যক্তিগত জীবন নানা সময় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তিনি বুঝেছেন, সফল সম্পর্ক ও শান্ত জীবনের জন্য কিছু অভ্যাস ও আচরণ বদলানো জরুরি। সবশেষে জেনিফার লোপেজ বলেন, ‘আমি আমার কাজকে ভালোবাসি, দর্শকদের ভালোবাসি এবং যে সুযোগগুলো পেয়েছি তার জন্য কৃতজ্ঞ। তবে এই জীবনে আশীর্বাদের পাশাপাশি কিছু মূল্যও দিতে হয়। সেই বাস্তবতাকে মেনেই এগিয়ে চলছি।’ দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অসংখ্য সাফল্য, বিতর্ক আর সমালোচনার মাঝেও আত্মবিশ্বাসই যে জেনিফার লোপেজের সবচেয়ে বড় শক্তি এই কথাই আবারও স্পষ্ট হলো তার বক্তব্যে।

“বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ” 01612346119

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *