“বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ” 01612346119

২০৩০ বিশ্বকাপ ফাইনাল আয়োজনে ত্রিমুখী লড়াই, দৌড়ে বার্সেলোনাও

সান্তিয়াগো বার্নাব্যু, ন্যু ক্যাম্প ও কাসাব্লাঙ্কার প্রস্তাবিত গ্র্যান্ড স্টেড হাসান টু—ফাইনাল আয়োজনে এগিয়ে থাকার লড়াই

ক্রিড়া ডেস্ক

২০৩০ সালের ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনাল আয়োজনের লড়াই নতুন মোড় নিয়েছে। এতদিন স্পেনের মাদ্রিদ ও মরক্কোর কাসাব্লাঙ্কাকে ঘিরে আলোচনা থাকলেও এবার সেই প্রতিযোগিতায় যুক্ত হয়েছে বার্সেলোনাও। ফলে বিশ্বকাপের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচটি আয়োজনের জন্য স্পেনের দুই শহর মাদ্রিদ ও বার্সেলোনার সঙ্গে মরক্কোর কাসাব্লাঙ্কার ত্রিমুখী প্রতিযোগিতা তৈরি হয়েছে।

বিশ্বকাপের ফাইনাল আয়োজনের জন্য শুরু থেকেই স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদ নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করে রেখেছিল। রিয়াল মাদ্রিদের ঐতিহাসিক সান্তিয়াগো বার্নাব্যুকে সামনে রেখে ফাইনাল আয়োজনের দাবি জানিয়ে আসছে শহরটি। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে স্টেডিয়ামটির ব্যাপক সংস্কারও মাদ্রিদের প্রার্থিতাকে আরও শক্তিশালী করেছে।

তবে সময়ের সঙ্গে মরক্কোর কাসাব্লাঙ্কার প্রস্তাবও আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে। দেশটি বিশ্বকাপের ফাইনাল আয়োজনের জন্য বিশাল আকারের নতুন স্টেডিয়াম নির্মাণের পরিকল্পনা করছে। এর মধ্যেই পুনর্নির্মিত ন্যু ক্যাম্পকে সামনে এনে দৌড়ে যুক্ত হয়েছে বার্সেলোনা।

“বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ” 01612346119
“বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ” ✉ Email: dhaka24news.top@gmail.com

বিশাল ধারণক্ষমতা বার্সেলোনার বড় শক্তি

বার্সেলোনার সবচেয়ে বড় শক্তি হতে পারে পুনর্নির্মিত স্পটিফাই ক্যাম্প ন্যু। সংস্কারকাজ শেষ হওয়ার পর স্টেডিয়ামটিতে প্রায় ১ লাখ ৪ হাজার দর্শক একসঙ্গে খেলা দেখার সুযোগ পাবেন বলে পরিকল্পনা রয়েছে। আধুনিক সুযোগ-সুবিধা ও বিশাল ধারণক্ষমতার পাশাপাশি ২০২৯ সালের উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনাল আয়োজনের দায়িত্বও পেয়েছে ন্যু ক্যাম্প। ফলে বড় আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজনের সক্ষমতা প্রদর্শনের সুযোগ পাচ্ছে স্টেডিয়ামটি।

বার্সেলোনা সভাপতি হোয়ান লাপোর্তাও বিশ্বকাপের ফাইনাল ন্যু ক্যাম্পে আয়োজনের পক্ষে প্রকাশ্যে অবস্থান নিয়েছেন। তার মতে, সংস্কারকাজ সম্পন্ন হলে বিশ্বের অন্যতম আধুনিক ও বড় ফুটবল স্টেডিয়াম হিসেবে ন্যু ক্যাম্প এই আয়োজনের জন্য উপযুক্ত হবে।

ঐতিহ্য ও অবকাঠামোয় এগিয়ে মাদ্রিদ

মাদ্রিদের প্রধান অস্ত্র সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর ইতিহাস, আন্তর্জাতিক পরিচিতি ও উন্নত অবকাঠামো। রিয়াল মাদ্রিদের ঘরের মাঠ হিসেবে বিশ্ব ফুটবলে এই স্টেডিয়ামের আলাদা মর্যাদা রয়েছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বার্নাব্যুতে ব্যাপক সংস্কার করা হয়েছে। স্টেডিয়াম আধুনিকায়নের পাশাপাশি আশপাশের এলাকা ও যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নেও বিনিয়োগ করা হয়েছে। ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত স্টেডিয়াম সংস্কার প্রকল্পে প্রায় ১৪০ কোটি ইউরো বিনিয়োগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে মাদ্রিদের প্রস্তাবের পেছনে রয়েছে প্রস্তুত অবকাঠামো, দীর্ঘ আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা এবং বিশ্বের অন্যতম পরিচিত ফুটবল ভেন্যুর ঐতিহ্য।

কাসাব্লাঙ্কার পরিকল্পনা সবচেয়ে বড়

অন্যদিকে মরক্কো বিশ্বকাপ ফাইনালের জন্য যে পরিকল্পনা করছে, সেটি আকারের দিক থেকে সবচেয়ে বড়। কাসাব্লাঙ্কার কাছাকাছি বেনস্লিমানে নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে গ্র্যান্ড স্টেড হাসান টু। প্রস্তাবিত স্টেডিয়ামটির ধারণক্ষমতা প্রায় ১ লাখ ১৫ হাজার দর্শক। ধারণক্ষমতার হিসাবে এটি বার্সেলোনা ও মাদ্রিদের প্রস্তাবিত ভেন্যুর চেয়েও বড় হবে।

শুধু স্টেডিয়াম নির্মাণ নয়, বিশ্বকাপ আয়োজনকে সামনে রেখে পরিবহনব্যবস্থা, বিমানবন্দর ও রেল যোগাযোগ উন্নয়নের পরিকল্পনাও হাতে নিয়েছে মরক্কো। বড় সরকারি ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগের মাধ্যমে পুরো আয়োজনের অবকাঠামো শক্তিশালী করার চেষ্টা করছে দেশটি।

  • আরও পড়ুন

কার সম্ভাবনা কতটা?

তিন প্রার্থীর শক্তির জায়গা তিন রকম। বার্সেলোনা নির্ভর করছে ন্যু ক্যাম্পের বিশাল ধারণক্ষমতা, আধুনিক সুযোগ-সুবিধা এবং আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজনের অভিজ্ঞতার ওপর। মাদ্রিদের সবচেয়ে বড় শক্তি হচ্ছে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর ঐতিহ্য, বিশ্বব্যাপী পরিচিতি, প্রস্তুত অবকাঠামো এবং বড় ম্যাচ আয়োজনের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা।

আর কাসাব্লাঙ্কা সামনে রাখছে বিশাল ধারণক্ষমতার নতুন স্টেডিয়াম এবং বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে গড়ে তোলা ব্যাপক অবকাঠামো উন্নয়ন পরিকল্পনা। ফলে ২০৩০ বিশ্বকাপের ফাইনাল আয়োজনের লড়াই এখন বেশ জমে উঠেছে। স্পেনের দুই শহরের মধ্যে শেষ পর্যন্ত কে এগিয়ে থাকবে, নাকি মরক্কোর কাসাব্লাঙ্কা বড় চমক দেখাবে—সেদিকেই এখন নজর ফুটবলবিশ্বের।

ফাইনাল ম্যাচের ভেন্যু চূড়ান্ত করার সিদ্ধান্ত নেবে ফিফা। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৮ সালের মধ্যে ২০৩০ বিশ্বকাপের বিভিন্ন ম্যাচের আয়োজক ভেন্যুগুলো চূড়ান্ত হওয়ার কথা রয়েছে।

ঢাকার E দোকান

📱 ০ ১ ৬ ১ ২ ৩ ৪ ৬ ১ ১ ৯
```

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *