“বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ” 01612346119

কুষ্টিয়ায় ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে এক ব্যক্তির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

এস,এম, বাদল
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ১২ বছর বয়সী ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী এক স্কুলছাত্রীকে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় মোঃ তাহাজুদ্দিন মণ্ডল (৬০) নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। অনাদায়ে তাকে আরও ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

​আজ বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে কুষ্টিয়া  শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল (জেলা ও দায়রা জজ) আদালতের বিচারক এইচ, এম, শফিকুল ইসলাম  এক জনাকীর্ন আদালতে আসামির উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন।

“বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ” 01612346119

​মামলার বিবরণ ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ২৪ অক্টোবর রাত অনুমান ৮টা ১০ মিনিটের সময় কুমারখালী থানার মিরপুর পশ্চিম পাড়া এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটে। ভিকটিম শিশুটি স্থানীয় মিরপুর বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী। ঘটনার দিন রাতে শিশুটি নিজ বসতবাড়ির দক্ষিণ পাশে অবস্থিত বাথরুমের দিকে গেলে আগে থেকেই ওত পেতে থাকা প্রতিবেশী মৃত আলাউদ্দিন মণ্ডলের ছেলে আসামি মোঃ তাহাজুদ্দিন মণ্ডল শিশুটির মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক পাশের একটি বাঁশবাগানের ঝোপের আড়ালে নিয়ে যায়। সেখানে শিশুটির পরনের পায়জামা খুলে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।

​পরবর্তীতে শিশুটির ডাক-চিৎকারে তার স্বজন ও স্থানীয় সাক্ষী মোঃ রুহুল, মোঃ শিপন বিশ্বাস, মোঃ বিপ্লব বিশ্বাসসহ অন্যান্যরা ঘটনাস্থলের দিকে এগিয়ে এলে আসামি তাহাজুদ্দিন দৌড়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনার পর পরিবার ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে আলোচনা করে ভিকটিমের মা ২০২০ সালের ২৫ অক্টোবর কুমারখালী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন একটি মামলা দায়ের করা হয়। যার মামলা নং- ২৩।

​রাষ্ট্রপক্ষের কৌশুলী মোঃ আব্দুল মজিদ   ও আসামিপক্ষের কৌশুলী মোঃ তানজিলুর রহমানের দীর্ঘ যুক্তিতর্ক ও নিরপেক্ষ সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বিজ্ঞ আদালত অভিযুক্ত আসামি মোঃ তাহাজুদ্দিন মণ্ডলকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী ২০২০)-এর ৯(১) ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে ৩০ (ত্রিশ) বছরের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেন।

  • আরও পড়ুন

​আদালত রায়ে উল্লেখ করেন, আসামির পূর্বে হাজতবাসের মেয়াদ থাকলে তা ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫এ ধারার বিধান অনুযায়ী সাজা হতে বাদ যাবে।

​এছাড়া, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১৫ ধারার বিধান অনুযায়ী আসামিকে প্রদত্ত ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড ক্ষতিগ্রস্ত ভিকটিমের ক্ষতিপূরণ হিসেবে গণ্য হবে এবং বিজ্ঞ আদালত কুষ্টিয়ার জেলা কালেক্টরকে (জেলা ম্যাজিস্ট্রেট) আইন অনুযায়ী উক্ত অর্থ আদায়পূর্বক ভিকটিমকে প্রদানের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।

​রায় ঘোষণার পর সাজাপরোয়ানা মূলে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি তাহাজুদ্দিনকে কড়া নিরাপত্তায় কুষ্টিয়া জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়।

ঢাকার E দোকান

📱
```

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *