নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে এবং নিজেদের অতীত অপকর্ম আড়াল করতে একটি স্বার্থান্বেষী মহল বানোয়াট ও ভিত্তিহীন অপপ্রচারকে হাতিয়ার হিসেবে বেছে নিয়েছে। সম্প্রতি বরিশাল ৬ (বাকেরঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা জননেতা আবুল হোসেন খান এবং বিএনপির সিনিয়র নেতাদের বিরুদ্ধে একটি সুসংগঠিত চক্রের ধারাবাহিকভাবে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। এই চক্রের অন্যতম প্রধান হোতা হিসেবে বিতর্কিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর নিলয় পারভেজ এবং তার স্থানীয় সহযোগীদের নাম উঠে এসেছে।
অপকর্ম আড়াল করতে অপপ্রচারের কৌশল
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কৃষ্ণকাঠী গ্রামের মোশারেফ বিশ্বাস ও তার ছেলে জহিরুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত। মোশারফ দির্ঘদিন যাবত নিজ স্বার্থ হসিল এবং জমি দখলের জন্য সাধারণ গ্রামবাসির উপর নির্যতান এবং মামল দায়ের করেন। জমি হাতে বুঝিয়া পাবার আগপর্যন্ত চলে জমির মালিকের ও তার পরিবারের উপর নির্যতন এবং লোকবল দিয়ে ভয়দেখানো।
গ্রামের অসহায় লোকদর বলপূর্বক এবং মামলার ভয়ভিতি দেখিয়ে জমিদখল এবং জন্য করে এবং ভয়ে কাজ না হলে মিত্যা মামলা দায়ের করে জমি দখলকরে নেয়। গত ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের আগে ও পরে—উভয় সময়েই তাদের বিরুদ্ধে নানা অপকর্মের অভিযোগ রয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা ও জনরোষ থেকে নিজেদের বাঁচাতে তারা এক অভিনব কৌশল অবলম্বন করে। নিজেদের অপরাধ আড়াল করার উদ্দেশ্যে তারা বিতর্কিত ফেসবুক ইনফ্লুয়েন্সার নিলয় পারভেজের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করে।পরিকল্পনা অনুযায়ী, মোশারেফ ও তার ছেলে জহিরুল ইসলাম ধারাবাহিকভাবে সংসদ সদস্য আবুল হোসেন খান এবং বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতাদের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও মনগড়া তথ্য নিলয় পারভেজের কাছে সরবরাহ করতে থাকে।

ফেসবুক পেজে বিভ্রান্তিকর স্ট্যাটাস ও সত্যতা অনুসন্ধান
এই সিন্ডিকেটের দেওয়া মিথ্যা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে নিলয় পারভেজ তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে জননেতা আবুল হোসেন খানকে জড়িয়ে একটি চরম বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর স্ট্যাটাস প্রকাশ করেন। বিষয়টি গণমাধ্যমকর্মীদের নজরে আসলে ‘ঢাকা২৪নিউজ’-এর পক্ষ থেকে ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়। কারণ, সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সংসদ সদস্য আবুল হোসেন খান সম্পূর্ণ অজ্ঞাত এবং নির্দোষ ছিলেন। ‘ঢাকা২৪নিউজ’-এর প্রতিনিধি প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং এর প্রতিবাদ জানাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম মেসেঞ্জারে নিলয় পারভেজের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেন।
কল ব্যাক ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য: অডিও ক্লিপে প্রমাণ
প্রাথমিক মেসেজের পর নিলয় পারভেজ উক্ত প্রতিনিধিকে কল ব্যাক করেন। তবে তিনি পেশাদার কোনো আচরণের ধার ধারেননি। সাংবাদিককে সত্য বলার বা কোনো ব্যাখ্যা দেওয়ার সুযোগ না দিয়ে, নিলয় পারভেজ উল্টো জননেতা আবুল হোসেন খান ও বিএনপির সিনিয়র নেতাদের উদ্দেশ্য করে অত্যন্ত কুরুচিপূর্ণ, অশালীন ও অসম্মানজনক মন্তব্য করতে থাকেন।নিলয় পারভেজের এই উদ্ধত আচরণ এবং অপপ্রচারের বিষয়টি এখন আর কেবল মুখের কথায় সীমাবদ্ধ নেই। প্রমাণস্বরূপ, উক্ত কথোপকথনের অবিকৃত অডিও ক্লিপটি এই প্রতিবেদনের সাথে সংযুক্ত করা হয়েছে।
🎧 নিলয় পারভেজের সেই বিতর্কিত অডিও শুনতে এখানে ক্লিক করুন ⤵️ (সংযুক্ত অডিও লিংক)
দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি
রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে এবং ব্যক্তিস্বার্থ উদ্ধারে যারা এভাবে মিথ্যা তথ্য ও অপপ্রচারের আশ্রয় নিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে সচেতন মহল। ভুক্তভোগী পক্ষ এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে নিলয় পারভেজের এই নোংরা মিথ্যাচার ও মানহানিকর কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। একই সাথে, পর্দার আড়ালে থাকা তথ্য সরবরাহকারী মোশারেফ বিশ্বাস ও জহিরুল ইসলামসহ এই অপপ্রচারকারী সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত সকল ব্যক্তির বিরুদ্ধে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করা হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে কেউ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে কোনো সম্মানিত নাগরিকের চরিত্রহনন করার সাহস না পায়।
“বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ”
01612346119