“বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ” 01612346119

বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ, নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর হাতিরপুল এলাকায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক রূপান্তরিত তরুণীকে একাধিকবার ধর্ষণ, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এবং অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পরও অভিযুক্ত গ্রেপ্তার না হওয়ায় ভুক্তভোগী নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে দাবি করেছেন। ভুক্তভোগী মেঘ এহসানের অভিযোগ, প্রায় দেড় বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে অভিযুক্ত আলিফ রুহানির সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরবর্তীতে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হলে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তাকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলা হয় বলে তিনি দাবি করেন।

“বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ” 01612346119

অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি হাতিরপুলের পুকুরপাড় মসজিদ সংলগ্ন একটি বাসায় দেখা করার কথা বলে তাকে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। ভুক্তভোগীর দাবি, পরবর্তীতে বিষয়টি গোপন রাখার জন্য বিয়ের আশ্বাস দেওয়া হয়। সেই আশ্বাসের ভিত্তিতে সম্পর্ক বজায় রাখলেও ২১ মার্চ ও ১৩ এপ্রিল পুনরায় দেখা করার কথা বলে তাকে একই ধরনের নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

এছাড়া বিভিন্ন সময়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তার কাছ থেকে প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন ভুক্তভোগী। বিষয়টি প্রকাশ করলে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। মেঘ এহসান আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তের পরিবারের কয়েকজন সদস্য পুরো বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ছিলেন। তবে তারা কোনো কার্যকর ভূমিকা না নিয়ে বরং পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করেছেন বলে তার দাবি।

  • আরও পড়ুন

ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে কলাবাগান থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নম্বর ২/৫/২০২৬, তারিখ ১ মে ২০২৬। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলাটি রুজু করা হয়েছে। এছাড়া নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালে আরও একটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে বলে জানা গেছে। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, মামলার পরও অভিযুক্তকে এখনো গ্রেপ্তার করা হয়নি। এতে তিনি নিজের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

মেঘ এহসান বলেন, “আমি সুষ্ঠু বিচার চাই। যারা আমার সঙ্গে অন্যায় করেছে, তাদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।”
এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *