“বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ” 01612346119

মিয়ানমারে পাচারের প্রস্তুতিকালে ৯৬০ বস্তা ইউরিয়া জব্দ, আটক ৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে ফিশিং বোটে ইউরিয়া সার স্থানান্তরের সময় ৯৬০ বস্তা সারসহ তিনজনকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। এ সময় পাচারকাজে ব্যবহৃত চারটি ট্রাক ও একটি ফিশিং বোটও জব্দ করা হয়েছে। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন।

কোস্ট গার্ড সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাত ১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মীরসরাই থানার ইছাখালী ঘাটসংলগ্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে কোস্ট গার্ড স্টেশন মীরসরাই। অভিযানের সময় কয়েকটি ট্রাক থেকে ইউরিয়া সার একটি ফিশিং বোটে স্থানান্তর করা হচ্ছিল।

“বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ” 01612346119
“বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ” ✉ Email: dhaka24news.top@gmail.com

কোস্ট গার্ডের সদস্যরা ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে সার স্থানান্তরের সঙ্গে জড়িত তিনজনকে আটক করেন। পরে ট্রাক ও ফিশিং বোট তল্লাশি করে বিপুল পরিমাণ ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়।

জব্দ ৪৮ হাজার কেজি ইউরিয়া

অভিযানে মোট ৯৬০ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়েছে। প্রতিটি বস্তায় ৫০ কেজি করে হিসাব অনুযায়ী জব্দ করা সারের মোট পরিমাণ দাঁড়ায় ৪৮ হাজার কেজি।

কোস্ট গার্ডের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জব্দ করা ইউরিয়া সারের আনুমানিক বাজারমূল্য ৩৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা।

এ ছাড়া সার পাচারের কাজে ব্যবহৃত চারটি ট্রাক এবং একটি ফিশিং বোটও জব্দ করা হয়েছে।

মিয়ানমারে পাচারের অভিযোগ

কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, জব্দ করা ইউরিয়া সার অবৈধভাবে মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে নেওয়া হচ্ছিল। ট্রাক থেকে ফিশিং বোটে সার স্থানান্তরের সময়ই অভিযান চালিয়ে সংশ্লিষ্টদের আটক করা হয়।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে ফিশিং বোটে ইউরিয়া সার স্থানান্তরের সময় তিনজনকে আটক করা হয়েছে। অভিযানে ৯৬০ বস্তা বা ৪৮ হাজার কেজি ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, জব্দ করা সারের পাশাপাশি পাচারকাজে ব্যবহৃত চারটি ট্রাক ও একটি ফিশিং বোটও জব্দ করা হয়েছে।

  • আরও পড়ুন

আইনগত ব্যবস্থা

কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, জব্দ করা ইউরিয়া সার, পাচারকাজে ব্যবহৃত ট্রাক ও ফিশিং বোট এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কৃষি উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ এই সার অবৈধভাবে দেশের বাইরে পাচার হলে স্থানীয় বাজারে সরবরাহ ও কৃষকদের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। এ ধরনের চোরাচালান ঠেকাতে সীমান্ত ও উপকূলীয় এলাকায় নজরদারি জোরদার করা হচ্ছে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, চোরাচালান রোধে কোস্ট গার্ডের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

ঢাকার E দোকান

📱 ০ ১ ৬ ১ ২ ৩ ৪ ৬ ১ ১ ৯
```

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *