“বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ” 01612346119

সিদ্ধিরগঞ্জ রাজস্ব সার্কেল (ভূমি) নাজির থেকে আলাদিনের চেরাগ ও অবৈধ অর্থ বাণিজ্যের নেপথ্যে,

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ সরকার ভূমি প্রতিমন্ত্রী কাছে হাতেনাতে সিদ্ধিরগঞ্জ রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) দেবযানী, কানুনগো মো: ফারুক আলম, দুর্নীতিবাজ নাজির কাজী তানজিরুল হক সহ অনেকে অনিয়মের জালে আটকা পরেন এ বিষয়ে স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকা সহ ইলেকট্রনিক ও মিডিয়া নিউজ প্রকাশিত হয় , এরপর থেকে সিদ্ধিরগঞ্জের নাজির কাজী তানজিরুল হক, বিভিন্ন দপ্তরে দূর জব শুরু হয়, কয়েকদিন পর কমিটি গঠন করে দেবযানী কর, ফারুক আলম কে বদলি করা হয় কিনতু থলের বিড়াল নাজির কাজী তানজিরুল হক অর্থের বিনিময় তার চেয়ার বহাল রয়ে যান, সংবাদ মাধ্যমের কাছে ভুক্তভোগীব্যক্তিগণরা মত প্রকাশ করেন দুর্নীতিবাজ অর্থলুবি সিদ্ধিরগঞ্জ রাজস্ব সার্কেলের (ভূমি) নাজির নতুন জয়েনট করার পর থেকে এসিল্যান্ড অফিস কে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকারের মতন আয়না গোর পরিণত করেছেন, আমাদের জমির জিসিআর ফি ছিল ১১৫০ টাকা নাজির নিত ১৫০০ টাকা, আর বাহিরের কিছু লোক দিয়ে ভেজাল নামজারী ভলিয়মের পাতা, ঘষামাজি, কাটা কাটিকরে, কম্পিউটারে কাগজে প্রিন্ট করে নথিতে লাগিয়ে মোটা অংকের অর্থের বিনিময় করেন, বিভিন্ন সময় নাজির অফিস সময় শেষ হয়ে গেলেও, সাধারণ মানুষের নামজারি আবেদনে ভুল ত্রুটি হলে হলে, আবেদনকারী কে সফটওয়্যার এর সমস্যা মন্ত্রণালের নাম বানিয়ে মোটা অংকের অর্থ বাণিজ্য করেন, সেই ভুক্তভোগী লোকদের জামাই আপ্যায়ন করেন, সিদ্ধিরগঞ্জের এসিল্যান্ড অফিসের নাজির কাজী তানজিরুল হক এই অনিয়ম আর দুর্নীতির এক চিরচেনা আবর্ত।

আর এই চক্রের অন্যতম প্রধান খলনায়ক হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন সংস্থাটির কানুনগো মোঃ ফারুক আলম ও অর্থ লুবি নাজির। সে সাধারণ নাজির থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা প্রভাব খাটিয়ে আজ তিনি সিদ্ধিরগঞ্জ রাজস্ব সার্কেলের (ভূমি) ঘুষ কাল টাকা বাণিজ্যের অন্যতম ‘মাথা’ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন বলে ভুক্তভোগী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে অভিযোগ উঠেছে।

​অনুসন্ধানে জানা যায়, নাজির- কাজি তানজিরুল হকের কর্মজীবন শুরু হয়েছিল সিদ্ধিরগঞ্জ রাজস্ব সার্কেল (ভূমি) অফিস থেকে – একজন সাধারণ নাজির তদবিরের জোরে টিকে আছেন, আর পদোন্নতি পেয়েও সহকারী কমিশনার (ভূমি) দেবযানী কর খুলনাতে পোস্টিং হয়, তৎকালীন প্রভাবশালী নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মহলের সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলেন,এখন আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।

দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পরও এই বিতর্কিত নাজির কাজী তানজিরুল হক বহাল তবিয়তে রয়েছেন। যেখানে অন্যান্য দুর্নীতিবাজ কর্মচারী আত্মগোপনে দালালি সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণ এখনো তার হাতেই রয়েছে।

গ্রাহক হয়রানি ও জিম্মি দশা
ভুক্তভোগী গ্রাহকদের অভিযোগ, যেকোনো ফাইল নথি কাজী তানজিরুল হকের নির্দিষ্ট সিন্ডিকেটের মাধ্যম ছাড়া অনুমোদন পায় না। মোটা অঙ্কের অনৈতিক লেনদেন ছাড়া কোনো ফাইলই অগ্রসর হয় না বলে অভিযোগ করেছেন সেবাগ্রহীতারা। তার ক্ষমতার দাপটের কাছে অসহায়।

দুদক ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি
নাজির এই অস্বাভাবিক উত্থান ও অবৈধ সম্পদের উৎস খতিয়ে দেখতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন ভুক্তভোগী ও সচেতন নাগরিক সমাজ। তাদের দাবি, একজন সরকারি কর্মকর্তার অর্থ সম্পদ যদি তার অবৈধ তবে তা রাষ্ট্রের খতিয়ে দেখা উচিত।নিউজ/আমজাদ হোসেন মোল্লা৷

ঢাকার E দোকান

📱 ০ ১ ৬ ১ ২ ৩ ৪ ৬ ১ ১ ৯
```

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *