“বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ” 01612346119

নগরজুড়ে সবুজায়নের ঘোষণা, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

দেলোয়ার হোসেন

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, কোরবানির পশুর হাটের কারণে উত্তরার মেট্রোরেল এলাকার কিছু গাছপালা আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হলেও নতুন করে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে আগের চেয়েও আরও সুন্দর, মনোরম ও সবুজ পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে।
আজ তেজগাঁও পলিটেকনিক খেলার মাঠ ও তৎসংলগ্ন সড়ক ডিভাইডারে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন। কোরবানির পশুর হাটের বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম শেষে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

প্রশাসক বলেন, সরকার ও ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিতে তৈরি বিভ্রান্তিকর ছবি ব্যবহার করে উত্তরার মেট্রোরেল এলাকার সবুজায়ন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হয়েছে। তিনি সাংবাদিকদের সরেজমিনে মেট্রোরেল এলাকার পরিবেশ পরিদর্শনের আহ্বান জানিয়ে প্রকৃত তথ্য জনগণের কাছে তুলে ধরার অনুরোধ জানান। তিনি আরও বলেন, কোরবানি-পরবর্তী সময়ে নগরবাসীকে পরিবেশবান্ধব ও ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে উদ্বুদ্ধ করতেই এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

  • আরও পড়ুন

‘ক্লিন অ্যান্ড গ্রিন ঢাকা’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে শুরু হওয়া এ কর্মসূচির আওতায় পর্যায়ক্রমে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের শিল্পাঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক বৃক্ষরোপণ করা হবে বলেও জানান তিনি। এ উদ্যোগে সহযোগিতার জন্য ঢাকা পলিটেকনিক পশুর হাটের ইজারাদার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের ধন্যবাদ জানান ডিএনসিসি প্রশাসক। তিনি বলেন, ঈদের ৭২ ঘণ্টা পরও ইজারাকৃত পশুর হাটগুলো থেকে বর্জ্য ও বাঁশের কাঠামো অপসারণের কাজ চলমান রয়েছে। বিভিন্ন হাট পরিদর্শন করে দেখা গেছে, অধিকাংশ স্থানে বর্জ্য ও বাঁশের ফ্রেম অপসারণ সম্পন্ন হয়েছে এবং অবশিষ্ট স্থানে কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে।

নগর উন্নয়ন, নগর পরিকল্পনা এবং কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রমে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য সাংবাদিকদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। প্রশাসক বলেন, নগরবাসী ও গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতায় কোরবানি-পরবর্তী সময়ে রাজধানীর অলিগলি পর্যন্ত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা সম্ভব হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিদিনের গৃহস্থালি বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রমও নিয়মিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।

“বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ” 01612346119

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ঈদের পর পশুর হাটের ইজারাদাররা বর্জ্য ও বাঁশের কাঠামো অপসারণের কাজ করছেন এবং তিনি নিজে বিভিন্ন হাট পরিদর্শন করে তার প্রমাণ পেয়েছেন। এরপরও কোনো ইজারাদার দায়িত্ব পালনে গাফিলতি করলে তাদের জামানত থেকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *