পাবনা প্রতিনিধি
পাবনার আমিনপুর থানার রানীনগর ইউনিয়নের বস্তাল এলাকায় এক যুবলীগ কর্মীকে নির্মমভাবে মারধর করে হাত-পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপি নেতা ও ইউপি সদস্য (মেম্বার) মো. জিন্নাহর বিরুদ্ধে। গুরুতর আহত অবস্থায় ওই যুবককে পরে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
- আরও পড়ুন
- শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলার আসামি সোহেল-স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড
- রামিসা হত্যা মামলার রায়ে সন্তুষ্ট সরকার, দ্রুত নিষ্পত্তির আশ্বাস আইনমন্ত্রীর
- সভাপতির বিরুদ্ধে মসজিদের ইট কেনার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, স্থানীয় সচেতন মহলের ক্ষোভ প্রকাশ
- বিএনপি নেতা জিন্নাহ মেম্বার যুবলীগ কর্মীকে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে পুলিশে সোপর্দের অভিযোগ
- রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন, নতুন মন্ত্রিসভায় থাকতে পারেন আবুল হোসেন খান
- আজ রোববার ০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জৈষ্ঠ ১৪৩৩, ২০ জিলহজ্ব ১৪৪৭
আহত যুবকের নাম মো. নাজমুল (পিতা: নজরুল খান)। তিনি উপজেলার ভূরকুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং স্থানীয়ভাবে যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত জিন্নাহ মেম্বার আহাম্মদপুর দক্ষিণ চর গ্রামের বাসিন্দা। অভিযোগ রয়েছে, জিন্নাহ মেম্বার, তার ছেলে ইমরান, সহযোগী রিপনসহ কয়েকজন মিলে নাজমুলকে আটক করে মারধর করেন। শুধু তাই নয়, তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে বস্তা সেলাইয়ের সুঁই ফুটিয়ে নির্যাতন করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
জানা গেছে, নাজমুল বিবাহিত। জিন্নাহ মেম্বারের দাবি, তার বিবাহিত মেয়ের সঙ্গে নাজমুলের অনৈতিক সম্পর্ক ছিল। ঘটনার এক-দুই দিন আগে নাজমুল তার মেয়েকে ফোন করেছিলেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। এর জের ধরেই এই ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয়দের একাংশের ধারণা।
তবে অপর একটি সূত্রের দাবি, জিন্নাহ মেম্বারের মেয়ের পক্ষ থেকেই নাজমুলের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হতো। এছাড়া ঘটনার পেছনে রাজনৈতিক বিরোধও ভূমিকা রাখতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন।
নাজমুলের পরিবারের অভিযোগ, যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কারণে রাজনৈতিক প্রতিহিংসাবশত তাকে টার্গেট করে এ হামলা চালানো হয়েছে। পরিকল্পিতভাবে তাকে মারধর করে গুরুতর জখম করা হয়েছে বলে তারা দাবি করেন।
এদিকে এলাকাবাসীর একাংশের অভিযোগ, জিন্নাহ মেম্বার দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে নানা অনিয়ম, চাঁদাবাজি এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করে আসছেন। যদিও এসব অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মারধরের পর গুরুতর আহত নাজমুলকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে তাকে কোনো মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে কি না, সে বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বক্তব্য জানার চেষ্টা চলছে।
“বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ”
01612346119