গাজীপুর প্রতিনিধি
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ৩১ নং ওয়ার্ডের দাখিনখান এলাকার কাশেম আলীর ছেলে ওমর আলীর সাথে তার আপন ভাই মো: সোলাইমান গরুর খামার ও পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল এ বিষয়ে গত ১ মে ২৬ ওমর আলী সদর মেট্রো থানা একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
- আরও পড়ুন
- ভার্চুয়াল জগৎ যখন অপরাধের ফাঁদ: কিশোর গ্যাংয়ের নেপথ্যে স্মার্টফোন
- গরুর খামার নিয়ে ওমর আলীর সাথে সোলায়মান দন্ধ
- ৬ লাখ টাকার অভাবে থমকে আছে মেহেদীর জীবন
- মান্দায় পাউবোর ৯৯ লাখ টাকার বাঁধ সংস্কারকাজে অনিয়মের অভিযোগ
- মুগদা-মান্ডা-মানিকনগরে ভয়ংকর ‘হানি ট্র্যাপ’ চক্রের দৌরাত্ম্য, ব্ল্যাকমেইলে সর্বস্বান্ত সাধারণ মানুষ
- আজ বুধবার ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জৈষ্ঠ ১৪৩৩, ২৩ জিলহজ্ব ১৪৪৭
উল্লেখ্য সোলাইমান ওমর আলীর গরুর খামারের বিরুদ্ধে গাজীপুর জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসে দায়ের করেন, উক্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা: নার্গিস খানম বাদী এবং বিবাদী উভয় পক্ষকে বিগত ৭ জুন ইং তারিখে সকাল ১১ টায় গাজীপুর মহানগরীর সদর থানাদীন দাক্ষিনখান গাজলী শাহ মাজার সংলগ্ন বাইতুল জাব্বার জামে মসজিদ প্রাঙ্গনে উপস্থিত থেকে তদন্ত কারী সহায়তা টিমের তদন্ত কাজের সহযোগিতা করার জন্য উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ করে।
তখন তদন্তকারী কর্মকর্তা শাজাহান মিয়ার নেতৃত্বে বাদী বিবাদী ও এলাকাবাসীর সঙ্গে উক্ত বিষয় নিয়ে আলাপ কালিন সময় সাংবাদিক মাইনুল ইসলাম ইমন মো: সোলায়মান এর পক্ষ নিয়ে বায়তুল জাব্বার জামে মসজিদ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক কে নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করলে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে সাংবাদিক মনিরুল ইসলাম ইমন বাদী ওমর আলী সহ মসজিদ কমিটির অনেকেই ভিন্ন ধরনের হুমকি ধামকি দিয়ে থাকেন।
সরজমিনে স্থলে গিয়ে এলাকার মো: লোকমান হোসেন, মো: ওসমান আলী, মো: শাজাহান, সুমন আহমেদ মনির, ইসমাইল হোসেনসহ এলাকাবাসীর সাথে আলাপ করলে জানা যায় – সাংবাদিক মাইনুল ইসলাম ইমন ও মো: সোলায়মান পূর্ব পরিচিত তারা একসাথে মাদক সেবন ও ব্যবসার সাথে জড়িত। সাংবাদিক ইমন সে তার ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে এলাকাবাসীকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করে।
“বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ”
01612346119