“বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ” 01612346119

যমজে যমজে বিয়ে

যমজ ভাইয়ের কনে যমজ বোন, বিয়েও পড়ালেন যমজ যাজক!

কেরালাজুড়ে চাঞ্চল্য: যেন একই চেহারার মায়াবী এক স্বপ্নের উৎসব

অনলাইন ডেস্ক

বিয়ের মূল আকর্ষণ থাকেন বর ও কনে। কিন্তু সেই বিয়েতেই যদি বর-কনে থেকে শুরু করে যাজক ও সহকারী—সবাই হন হুবহু দেখতে যমজ, তবে কেমন হয়? ঠিক এমনই এক অলৌকিক ও বিরল দৃশ্য দেখে মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে রইল ভারতের কেরালা। দুই যমজ ভাইয়ের সাথে দুই যমজ বোনের গাটছড়া বাঁধা তো ছিলই, সেই পবিত্র বন্ধন আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পন্ন করলেন আরও দুই যমজ যাজক!

সম্প্রতি কেরালার চাঙ্গানাসেরি মেট্রোপলিটন চার্চে অনুষ্ঠিত হলো শতাব্দীর অন্যতম এই ব্যতিক্রমী ও চোখধাঁধানো বিবাহ উৎসব।

“বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ” 01612346119

স্বপ্নের জোড়া লাগা

মার্চেন্ট নেভিতে কর্মরত যমজ দুই ভাই অখিল কে থমাসনিখিল কে থমাস। অন্যদিকে আইটি খাতে সফল ক্যারিয়ার গড়ে তোলা যমজ দুই বোন ম্যাগি মেরি থমাসমারিয়া মেরি থমাস

শৈশব থেকেই দুই বোনের স্বপ্ন ছিল—যদি সংসার করতে হয়, তবে অন্য কোনো যমজ ভাইদের সাথেই করবেন! দুই পরিবারের দীর্ঘদিনের সেই ভালোবাসার স্বপ্ন রূপ নেয় বাস্তবে। প্রথা অনুযায়ী অখিলের সঙ্গে ম্যাগি এবং নিখিলের সঙ্গে মারিয়ার জীবন একসূত্রে বাঁধা পড়ে।

যমজ যাজকের অনন্য ইতিহাস

আয়োজনটি কেবল বর-কনেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। কনেপক্ষ বিয়ের আমেজকে রূপকথা বানিয়ে তুলতে হন্যে হয়ে খুঁজছিলেন যমজ পুরোহিত। অবশেষে কেরালার কোঠানাল্লুরের একটি গির্জায় মিলল কাঙ্ক্ষিত সেই যমজ যাজক—ফাদার আন্তো পেজুমকাটিলফাদার আজো পেজুমকাটিল

সানন্দে রাজি হওয়া দুই ফাদার যখন বেদীতে দাঁড়িয়ে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা পরিচালনা করছিলেন, তখন তাদের সহায়তায় ছিলেন আরও একজোড়া যমজ সহকারী—জেরন জেমসজোহন জেমস!

ফাদারদের অনুভূতি:

“আমাদের পুরো জীবন ও যাজকীয় ক্যারিয়ারে এমন অবিশ্বাস্য সুন্দর মুহূর্ত আর কখনও আসেনি। এই অনন্য মেলবন্ধন সারাজীবন আমাদের হৃদয়ে স্মারক হয়ে থাকবে।”

  • আরও পড়ুন

অতিথিদের চোখ ছানাবড়া!

একই পোশাক, একই রূপ আর একই চাউনি—চার্চে উপস্থিত অতিথিরা যেন ক্ষণে ক্ষণে বিভ্রমের মায়াজালে পড়ে যাচ্ছিলেন! কে বর, কে কনে, আর কেই-বা যাজক—তা মেলাতে গিয়ে মৃদু হাসির রোল ওঠে পুরো চার্চজুড়ে।

সাধারণ একটি বিয়ের আয়োজন কীভাবে পরিবারের ইচ্ছে ও পরিকল্পনায় ইতিহাসের অন্যতম বিরল ও আনন্দঘন মুহূর্ত হতে পারে, কেরালার এই শুভ পরিণয় তারই এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে রইল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *