মশিয়ার রহমান টিংকু
ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার শ্যামকুড় গ্রামে গোরস্থান সম্প্রসারণের জন্য পৈতৃক সম্পত্তির ১২ শতক জমি দান করেছেন মোঃ সমেশ খান ও তাঁর তিন ছেলে মোঃ সুজাউদ্দিন, মোঃ নওজেস খান ও মোঃ সুলতান আহম্মেদ খান। মানবিক ও জনকল্যাণমূলক এ উদ্যোগে প্রশংসা কুড়িয়েছে পরিবারটি।

জানা গেছে, শ্যামকুড় গ্রামের পূর্বপাড়ায় গোরস্থান সম্প্রসারণের জন্য পরিবারটির মালিকানাধীন মোট ৬০ শতক বসতবাড়ির জমির মধ্য থেকে ১২ শতক জমি দান করা হয়েছে। জমিটির দাগ নম্বর ২৮২০ এবং জমির ধরন বসতবাড়ি।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শ্যামকুড় গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে একটি স্থায়ী ও নির্ধারিত গোরস্থানের সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হচ্ছিল।
গ্রামের মানুষের মৃত্যুর পর মরদেহ দাফনের জন্য নিরাপদ ও স্থায়ী জায়গা নিশ্চিত করার বিষয়টি বিবেচনা করে পরিবারটি তাদের পৈতৃক সম্পত্তির একটি অংশ গোরস্থানের জন্য দান করার সিদ্ধান্ত নেয়। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মানুষের শেষ বিদায়ের স্থান নিশ্চিত করার মতো একটি মানবিক কাজে পৈতৃক সম্পত্তির অংশ দিতে পারা তাদের জন্য আনন্দ ও তৃপ্তির বিষয়।
দান করা জমিটি ভবিষ্যতে এলাকার মানুষের দাফন কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশা করছেন।
স্থানীয়রা বলেন, ব্যক্তিগত ও পৈতৃক সম্পত্তির একটি অংশ মানুষের কল্যাণে দান করা নিঃসন্দেহে মহৎ উদ্যোগ। এই জমিতে গোরস্থান সম্প্রসারণ করা হলে শ্যামকুড় গ্রামের মানুষের দীর্ঘদিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক প্রয়োজন পূরণ হবে।
- আরও পড়ুন
- কৃতিত্বের স্বীকৃতি: নারায়ণগঞ্জে তারেক আল মেহেদীসহ পুলিশ কর্মকর্তাদের সম্মাননা

- সারাদেশে নৈরাজ্যের প্রতিবাদে বাকেরগঞ্জে বিএনপির সমাবেশ ও মিছিল

- নড়াইলে ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্টস এন্ড বিজনেসমেন ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ব্যবসায়ী সমাবেশ ও ট্রেনিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

- নামাজ পড়াতে বেরিয়ে আর ফেরেননি হাফেজে কুরআন রোকনুজ্জামান, সন্ধান চায় পরিবার

- লিওনেল মেসির স্ত্রীর জীবন বদলে গেলো, সাবলীল ইংরেজিতে মুগ্ধ ভক্তরা

- নড়াইল জেলা জামায়তের নায়েবে আমীর বাদশা মিয়ার দাফন সম্পন্ন

এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, গোরস্থানটি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা, সীমানা সংরক্ষণ, পরিচর্যা ও ভবিষ্যৎ উন্নয়নের জন্য একটি কার্যকর ব্যবস্থাপনা কমিটি গড়ে তোলা হবে। সবার সহযোগিতায় এটি একটি সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ী দাফনস্থানে পরিণত হবে।
মোঃ সুলতান আহম্মেদ খান বলেন, “মানুষের শেষ বিদায়ের স্থান নিশ্চিত করার মতো একটি মানবিক কাজে পৈতৃক সম্পত্তির অংশ দিতে পারা আমাদের পরিবারের জন্য আনন্দ ও তৃপ্তির বিষয়। ভবিষ্যতে এই গোরস্থান যেন এলাকার মানুষের কল্যাণে সুন্দরভাবে পরিচালিত হয়, সেটিই আমাদের প্রত্যাশা।

“বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ”
01612346119