মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে উচ্চ আদালতের অনুমোদন ও আপিল নিষ্পত্তির অপেক্ষা
ঢাক২৪নিউজ প্রতিবেদক
রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় বিচারিক আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায়ের ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) সংক্রান্ত নথিপত্র হাইকোর্টে পৌঁছেছে।
মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে হাইকোর্ট বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় মামলার ডেথ রেফারেন্সের নথি জমা দেওয়া হয়। বিচারকের স্বাক্ষর শেষে ট্রাইব্যুনাল থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উচ্চ আদালতে পাঠানো হয়।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলার পূর্ণাঙ্গ রায়ের কপি ৬৯ পৃষ্ঠার। এর সঙ্গে আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের ডেথ রেফারেন্সের ৩ পৃষ্ঠাসহ মোট ৭২ পৃষ্ঠার নথি হাইকোর্টে এসেছে।

- আরও পড়ুন
- জামায়াত ৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকার ছায়া বাজেট ঘোষণা
- পল্লবীর শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে
- ইউনূসের কালো আইনে অর্থনীতির সর্বনাশ
- শাকিবের শিক্ষা মেনেই নীরব ছিলেন বুবলী, সময়ই দিল সব প্রশ্নের উত্তর
- আজ মঙ্গলবার ০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জৈষ্ঠ ১৪৩৩, ২২ জিলহজ্ব ১৪৪৭
- টিকটকে পরিচয়,ইমুতে দেহ দেখিয়ে এক প্রবাসীর সর্বস্ব লুট,প্রবাসেই আত্মহত্যা
এর আগে গত রোববার (৭ জুন) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।
একই সঙ্গে সোহেল রানাকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্না খাতুনকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, আদায়কৃত অর্থ নিহত শিশুর আইনগত উত্তরাধিকারীদের দিতে হবে। জরিমানার অর্থ পরিশোধ না করলে জেলা প্রশাসনের (কালেক্টরেট) মাধ্যমে আসামিদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করে বিক্রি করে সেই অর্থ ভুক্তভোগী পরিবারের কাছে হস্তান্তর করতে হবে।
আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৮ ধারা অনুযায়ী আসামিদের ‘মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলিয়ে’ মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে হবে। তবে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন ছাড়া এ দণ্ড কার্যকর করা যাবে না।
এদিকে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে দ্রুত বিচার সম্পন্ন হওয়া মামলাগুলোর অন্যতম হিসেবে আলোচিত এই মামলার রায় কার্যকর হতে এখনও কয়েকটি আইনগত ধাপ বাকি রয়েছে। হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্স শুনানি, আসামিদের আপিল এবং পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া নিষ্পত্তির পরই মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পথ উন্মুক্ত হবে।
আইন অনুযায়ী, আসামিরা রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করার সুযোগও পাবেন।
“বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ”
01612346119