তাহের তারেক
সাভার প্রতিনিধি
ঢাকার সাভার উপজেলার আশুলিয়া থানাধীন পাথালিয়া ইউনিয়নে তাঁতি দলের সভাপতি মোঃ দেলোয়ার হোসেন ইদ্রিসের বিরুদ্ধে পরকীয়ায় জড়ানো এবং স্ত্রীকে শারীরিক নির্যাতনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিএনপির সহযোগী সংগঠন তাঁতি দলের সভাপতি পদে দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই দেলোয়ার হোসেন ইদ্রিসের আচরণে পরিবর্তন দেখা যায়। এলাকাবাসীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে গুঞ্জন রয়েছে, তিনি পরকীয়ায় জড়িয়ে বিভিন্ন স্থানে এক নারীর সঙ্গে ঘোরাফেরা করতেন। বিষয়টি জানাজানি হলে পরিবারেও অশান্তির সৃষ্টি হয়।
অভিযোগ রয়েছে, পরকীয়ার বিষয়টি নিয়ে স্ত্রী প্রশ্ন তুললে দেলোয়ার হোসেন ইদ্রিস তা অস্বীকার করেন এবং এ নিয়ে দাম্পত্য কলহ শুরু হয়। একপর্যায়ে সেই কলহ চরমে পৌঁছালে তিনি তার স্ত্রীকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করেন।
ভুক্তভোগী স্ত্রী মোছাঃ খোরশেদা বেগম (৪৭) আশুলিয়া থানায় দায়ের করা অভিযোগে উল্লেখ করেন, তাদের ৩১ বছরের দাম্পত্য জীবনে দুই মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। সন্তানদের মধ্যে একজন ছেলে ও একটি মেয়ের বিয়ে হয়েছে এবং তাদের নাতি-নাতনিও রয়েছে। এমন বয়সে স্বামীর পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়া এবং এ বিষয়ে প্রতিবাদ করায় নিয়মিত মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন তিনি।
তিনি আরও জানান, গত ১০ জুলাই ২০২৬ তারিখ সকাল ১০টার দিকে পারিবারিক বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে দেলোয়ার হোসেন ইদ্রিস ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে ও তাদের ছেলে ইমদাদুল হক রাশেদকে মারধর করেন। এসময় দেয়ালে মাথা আঘাত করে তার মাথা ফাটিয়ে দেন এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করেন।
- আরও পড়ুন
- কৃতিত্বের স্বীকৃতি: নারায়ণগঞ্জে তারেক আল মেহেদীসহ পুলিশ কর্মকর্তাদের সম্মাননা

- সারাদেশে নৈরাজ্যের প্রতিবাদে বাকেরগঞ্জে বিএনপির সমাবেশ ও মিছিল

- নড়াইলে ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্টস এন্ড বিজনেসমেন ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ব্যবসায়ী সমাবেশ ও ট্রেনিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

- নামাজ পড়াতে বেরিয়ে আর ফেরেননি হাফেজে কুরআন রোকনুজ্জামান, সন্ধান চায় পরিবার

- লিওনেল মেসির স্ত্রীর জীবন বদলে গেলো, সাবলীল ইংরেজিতে মুগ্ধ ভক্তরা

- নড়াইল জেলা জামায়তের নায়েবে আমীর বাদশা মিয়ার দাফন সম্পন্ন

পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যান। ভুক্তভোগীর দাবি, অভিযুক্ত ব্যক্তি বদমেজাজি ও সহিংস প্রকৃতির হওয়ায় ভবিষ্যতে তিনি ও তার সন্তানরা আরও বড় ধরনের ক্ষতির শিকার হতে পারেন।
এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তারিকুল ইসলাম জানান, অভিযোগটি তার জানা আছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় উদ্বেগ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত তদন্ত করে দোষীর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

“বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ”
01612346119