দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ, মামলা প্রস্তুতি
কমলনগর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি
লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার চরফলকন ইউনিয়নের মাতাব্বর হাট বাজারে দোকান ঘরের মালিকানা ও দখল নিয়ে আপন দুই ভাইয়ের স্ত্রীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে মারজাহান বেগম (৪০) নামে এক গৃহবধূ গুরুতর আহত হয়ে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে দোকান ঘরটি নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ চলছিল। ঘটনার দিন কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে তা হাতাহাতি ও মারামারিতে রূপ নেয়।
- আরও পড়ুন
- নাসিরনগরে “Startup, Science Project and Innovation Idea Showcasing”প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত
- কমলনগর ২নং সাহেবের হাট ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনায় মোঃ আনোয়ার হোসেন
- দীর্ঘদিনের বিরোধে রক্তক্ষয়ী মারামারি গুরুতর আহত মারজাহান বেগম
- পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে শহীদ শরিফ ওসমান হাদির বীরত্বগাথা
- প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকার অঙ্গীকারাবদ্ধ: বাকেরগঞ্জের ১৪ ইউনিয়নে উন্নয়নের ছোঁয়া
- ভার্চুয়াল জগৎ যখন অপরাধের ফাঁদ: কিশোর গ্যাংয়ের নেপথ্যে স্মার্টফোন
🗣️ প্রথম পক্ষের অভিযোগ
আহত মারজাহান বেগমের স্বামী: গিয়াস উদ্দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অভিযোগ করেন, তার জা বিবি হাজেরা ও তার মেয়ে হামিদা আকস্মিকভাবে তার ওপর হামলা চালান। লাঠিসোটা দিয়ে মারধর করতে করতে একপর্যায়ে তাকে অজ্ঞান করে ফেলেন। পরে পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন এবং মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান। ঘটনার সময় তার মেয়ে বিবি মরিয়ম বিথিও উপস্থিত ছিলেন।
🗣️ দ্বিতীয় পক্ষের বক্তব্য
অভিযুক্ত বিবি হাজেরা মারামারির ঘটনা স্বীকার করলেও মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, ঘটনার সময় তাদের পক্ষ থেকে মা-মেয়ে দুইজন ছিলেন, অন্যদিকে প্রতিপক্ষ ছিলেন তিনজন। তার ভাষ্যমতে, মারজাহানের স্বামী গিয়াস উদ্দিন তাকে আঘাত করতে গিয়ে ভুলবশত নিজের স্ত্রীকেই আঘাত করেন, ফলে তিনি আহত হন। বিবি হাজেরা আরও অভিযোগ করেন, তার স্বামী দীর্ঘদিন ধরে প্যারালাইসিসে আক্রান্ত। এই সুযোগে গিয়াস উদ্দিন প্রায়ই তাদের ওপর নির্যাতন চালান।
🚨 বর্তমান পরিস্থিতি
ঘটনার পর পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনলেও এলাকায় এখনো উত্তেজনা বিরাজ করছে। উভয় পক্ষই মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে।কমলনগর থানা পুলিশ জানিয়েছে, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে আহত নারীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এখনো কোনো পক্ষের লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
“বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ”
01612346119